মেটাডেটা সরানো
JPG, PNG, WebP ও PDF ফাইলের লুকানো তথ্য, যেমন GPS লোকেশন, ক্যামেরার মডেল, তারিখ ও লেখকের নাম দেখুন ও সরান, ছবির কোয়ালিটি একটুও না কমিয়ে।
টিপ: একসঙ্গে কয়েকটি ফাইল বেছে নিন, সবগুলো একই সেটিংসে প্রসেস হয়ে যাবে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- 1একটি ফটো বা PDF দিন, অথবা একসঙ্গে কয়েকটি।
- 2দেখুন ফাইলটা থেকে কী কী জানা যায়: লোকেশন, ক্যামেরা, ছবি তোলার তারিখ, সফটওয়্যার আর লেখক।
- 3ওরিয়েন্টেশন আর কালার প্রোফাইলও সরাতে না চাইলে ওগুলোতে টিক রেখে দিন, তারপর “মেটাডেটা সরান” চাপুন।
- 4কী রয়ে গেল দেখে নিন, তারপর পরিষ্কার কপিটা ডাউনলোড করুন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
WhatsApp কি ফটো থেকে লোকেশন সরিয়ে দেয়?
সাধারণভাবে পাঠানো ফটো আবার কমপ্রেস হয়, তাতে লোকেশন সহ EXIF তথ্য বাদ পড়ে যায়। কিন্তু ডকুমেন্ট হিসেবে পাঠানো ফটো যেমন ছিল ঠিক তেমনই পৌঁছায়, লোকেশন সমেত। ইমেলের অ্যাটাচমেন্ট, Google Drive আর অনেক আপলোড ফর্মেও আসল ফাইলটাই থাকে, তাই এভাবে শেয়ার করার আগে মেটাডেটা সরিয়ে নিন।
মেটাডেটা সরালে কি কোয়ালিটি কমে যায়?
না। শুধু লুকানো তথ্যগুলো বাদ দেওয়া হয়। ছবির ডেটা বাইট ধরে ধরে হুবহু কপি হয়, আবার কমপ্রেস করা হয় না, তাই ফটো দেখতে একদম একই থাকে আর ফাইলটা একটু ছোট হয়।
মেটাডেটা সরানোর পরে কিছু ফটো কাত হয়ে যায় কেন?
ফোন প্রায়ই ফটো কাত করে সেভ করে, সঙ্গে একটা নোট রাখে যে কোন দিকটা উপরে। সেই নোট না থাকলে ফটো কাত হয়ে দেখায়। “ওরিয়েন্টেশন রাখুন” আগে থেকেই চালু থাকে, তাই শুধু সেই নোটটুকু থেকে যায়; তাতে আপনার সম্পর্কে বা আপনি কোথায় ছিলেন সে বিষয়ে কিছুই থাকে না।
PDF থেকে কী কী সরানো হয়?
শিরোনাম, লেখক, বিষয়, কিওয়ার্ড, কোন অ্যাপে বানানো হয়েছে, তারিখ আর XMP মেটাডেটা, সঙ্গে PDF-এর ভিতরে রাখা ফটোর ক্যামেরার তথ্য ও লোকেশন। পেজ, লেখা আর ছবি একই থাকে। ডিজিটাল সিগনেচার থাকা PDF থেকে সেই সিগনেচার চলে যায়, তাই দরকার হলে আসল ফাইলটা রেখে দিন।